১/ মক্কার মসজিদে ২ ইমামে ২
জামআতে ২০ রাকাত তারাবীহ পড়ে
এতে কারো দ্বিমত নেই।
২০ রাকাতের তো ছহীহ হাদীছ নেই
তাহলে মক্কার মসজিদে পড়ে কেন?
এটাই অধিকাংশ লোকের প্রশ্ন।
আসলে কি সেখানে ২০ রাকাতই
তারাবীহ হয় নাকি ৮+৩=১১ রাকাত
তারাবীহ একটু ভাবুন। কারণ কিছু অন্ধ
লোক চোখ থেকেও দেখেনা।
আসুন মুল ঘটনায়ঃ
১/ তারাবীহ যখন ২০ রাকাত হয় তখন
মুসল্লির উপর যেমন প্রযোয্য তেমনি
কিন্তু ইমামের উপরো প্রযোয্য। অথচ প্রথম
ইমাম এক টানা ১০ রাকাত পড়ে তখন
কিন্তু ২য় ইমাম আমাদের দেশের মত প্রথম
ইমামের পিছনে থাকেনা। প্রথম ইমাম
যখন একটানা ২০ রাকাত পড়ে তার
হুজরায় চলে যায়। তখন বিশাল বিরতি
পড়ে। মাযহাবী গোড়ামীরা ছাড়া
প্রায় সবাই একা একা নিজের ১
রাকাত পড়ে ১১ রাকাত ছালাত শেষ
করে। আর প্রথম ইমাম তার হুজরায় ১
রাকাত বিতর পড়ে। অর্থ্যায় মুসলিম
শরীফের হাদীছ অনুযায়ী ইমাম
একটানা ১০ রাকাত রাতের ছালাত
পড়ে ১ রাকাত বিতর পড়েন। এ হল
রাতের ছালাত ১১ রাকাত।
২/ ২০ রাকাত যদি তারাবীহ হয়
তাহলে ২ জামআতে হবে কেন? প্রথম
ইমাম ১০ রাকাত পড়ার পরে ২য় ইমামের
পিছনে থাকেনা কেন? প্রথম ইমামের
কি ২০ রাকাত পড়া লাগেনা?
প্রক্ষান্তরে ২য় ইমাম আগ থেকেই প্রথম
ইমামের সাথে থাকেনা কেন?
ইমামদের কি ২০ রাকাত পড়া
লাগেনা?
সার কথা হলঃ
মক্কাতেও তারাবীহ ৮+৩ =১১ রাকাত
তারাবীহ পড়া হয়। অধিক নেকির
আশায় মক্কার মসজিদে সবাই ছালাত
পড়তে চায়। তাই আগ-পিছ করে ২
জামআত চালু হয়েছে। তারা একটানা
১০ রাকাত পড়ে বিশাত বিরতি নেয়।
অতঃপর ২য় জামআতের জন্য ২য় ইমাম
স্বীয় হুজরা হতে আসলে ২য় জামাআত শুরু
হয়। অতঃপর অনেক লোক বিতরের দোআয়
শরিক হওয়ার জন্য ২য় জামআতের
বিতরের কিনুতে শরিক হওয়ার জন্য ২য়
জামআতের ১ রাকাত বিতরে শরীক হয়।
আর যারা প্রথম জামআতের পর পরই বিতর
পয়েছে তারা চলে যায়।
এবার আপনি বলুনঃ মক্কার তারাবীহ
কত রাকাত হয়? বিশ্বাস না হলে
রামজানে মক্কায় ছালাত আদায় করুন।
ইনশাল্লাহ আমার কথার ১৯/২০ হবে না।
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০১৫
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)